ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

 

ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

দেখে মনে হচ্ছে আপনি বাংলাদেশের জন্য ই-পাসপোর্ট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন। ই-পাসপোর্ট হল একটি নিরাপদ ভ্রমণ নথি যা পরিচয় যাচাই বাড়ানোর জন্য বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করে। আপনার যদি নির্দিষ্ট তথ্যের প্রয়োজন হয়, যেমন কীভাবে আবেদন করতে হয়, প্রয়োজনীয় নথি, বা এর বৈশিষ্ট্যগুলি, দয়া করে আমাকে জানান!

ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

পিতা ও মাতার জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) -এর কপি ও অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে
 ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version)
১৮-২০ বছর হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version). 
 ২০ বছরের উর্ধ্বে হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক 

  • বাংলাদেশী জন্মসনদের ফটোকপি।

  • (জন্মস্থানের জায়গায় শিশু যে দেশে জন্ম হয়েছে সেই দেশ বা স্থানের নাম অবশ্যই উল্লেখ্য থাকতে হবে।)

  • অনলাইন ইপাসপোর্ট আবেদন ফরম। (www.epassport.gov.bd) |

  • স্প্যানিশ জন্মসনদের ফটোকপি।

  • শিশুর বাবা মায়ের পাসপোর্টের ফটোকপি।

  • শিশুর A4 সাইজের সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙিন ছবি।

  •  ই-পাসপোর্ট ফি ১০০ (একশত) ইউরো ব্যাংক কার্ড অথবা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে।

  •    (ES61 2100 9432 8222 0015 4034, La Caixa Bank) 


ই পাসপোর্ট ফি 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে একটি ই-পাসপোর্টের জন্য ফি প্রকার (স্বাভাবিক বা জরুরি) এবং মেয়াদকালের (5 বা 10 বছর) উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণত, ফি নিম্নরূপ:
- **সাধারণ ই-পাসপোর্ট**: 5 বছরের জন্য আনুমানিক 3,000 টাকা এবং 10 বছরের জন্য 6,000 টাকা৷
- **জরুরি ই-পাসপোর্ট**: বেশি ফি, ৫ বছরের জন্য প্রায় ৫,০০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য ১০,০০০ টাকা।
এই ফিগুলি পরিবর্তন হতে পারে, তাই বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চেক করা বা সবচেয়ে বর্তমান হারের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করা ভাল।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ 


প্রবাসী বাংলাদেশী যাঁদের এমআরপি রয়েছে তাঁরা ই-পাসপোট আবেদনের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছেঃ-


১। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করার ক্ষেত্রে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগকৃত আউটসোর্সিং কোম্পানি Expat Services (Kuala Lumpur) Sdn. Bhd. (ESKL) এর নির্ধারিত স্থান হতে পূরণ করতে হবে। [আউট সোর্সিং ঠিকানা Expat Services (Kuala Lumpur) Sdn Bhd, Southgate Commercial Centre, Level 2, Block E, No 2, Jalan Dua Off Jalan Chan Sow Lin-55200, Wilayah Persekutuan, Kuala Lumpur]

২। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।


৩। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।


৪। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) / জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC)-এর অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।


৫। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী যার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নাই, তার পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। পিতা ও মাতার জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) -এর কপি ও অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।


৬। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) নিম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে-

(ক) ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version).

(খ) ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version).

(গ) ২০ বছরের উর্ধ্বে হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক । তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) গ্রহণযোগ্য হবে। এক্ষেত্রে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও অনলাইন ভেরিফাই কপি দাখিল করতে হবে।


৭। ফরমে তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়।


৮। দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সাথে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে।


৯। ১৮ বছরের নিম্নের এবং ৬৫ বছরের ‍উর্ধ্বে সকল আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ০৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার।


১০। প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে।


১১। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি (NOC)/ প্রত্যয়নপত্র/ অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (PRL Order)/ পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ Website এ আপলোড থাকতে হবে।

 

১২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ম্যারিজ সার্টিফিকেট/ডিভোর্স সার্টিফিকেট (ইংলিশ ভার্সন) আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস হতে সত্যায়িত হতে হবে।


১৩। স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে নিজ এলাকার কমিশনার/চেয়ারম্যান-এর প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিজ এলাকার কমিশনার/চেয়ারম্যান-এর প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।


১৪। কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং (Consular and Welfare Wing) অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।


১৫। বৈদেশিক মিশন হতে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।


১৬। আবেদনের সময় মূল জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID), অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ (GO)/অনাপত্তি (NOC) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।


১৭। বৈদেশিক মিশনে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট ও ভিসা প্রদর্শন করতে হবে।


১৮। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট করতে হবে এবং আবেদনের সাথে তার কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।


১৯। ০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩ আর (4R Size) সাইজের (ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড) ছবি দাখিল করতে হবে।


২০। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় পুলিশ রিপোর্ট করতে হবে। পুনরায় পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি এবং পুলিশ রিপোর্ট কপিসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে ।



পাসপোর্টে তথ্য সংশোধন আবেদনের ক্ষেত্রেঃ


  • আবেদনকারীর নিজের আইডি ও আইডি কার্ডের ভেরিফাইড কপি (নিজের নাম, বয়স, মা ও বাবার নামের সংশোধেনের ক্ষেত্রে)
  • আবেদনকারীর মায়ের আইডি ও আইডি কার্ডের ভেরিফাইড কপি (মায়ের নামের সংশোধেনের ক্ষেত্রে)
  • আবেদনকারীর বাবার আইডি ও আইডি কার্ডের ভেরিফাইড কপি (বাবার নামের সংশোধেনের ক্ষেত্রে)
  • স্বামী/স্ত্রী-এর আইডি কার্ড ও আইডি কার্ডের ভেরিফাই কপি (স্বামী/স্ত্রী-এর নাম সংযোজন/সংশোধন এর ক্ষেত্রে)।
  • ইংলিশ ম্যারিজ সার্টিফিকেট/ডিভোর্স সার্টিফিকেট আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর হাইকমিশনের সত্যায়িত কপি (স্বামী/স্ত্রী-এর নাম সংযোজন/সংশোধন/বাতিলের ক্ষেত্রে)।
  • স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন/সংশোধনের ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে মেয়র/কাউন্সেলর/চেয়ারম্যান কর্তৃক সদ্য প্রদানকৃত নাগরিক সনদ দাখিল করতে হবে।
  • স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন/সংশোধনের ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে পুলিশ প্রতিবেদন সাপেক্ষে পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।
  • এভিডেভিড/হলফনামা ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প।
  • পাসপোর্ট কপি।
  • ভিসা কপি।
  • অঙ্গীকারনামা


0 Comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 

abdullahtourism Template by Ipietoon Cute Blog Design