১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

 

১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

একটি 10-বছরের ই-পাসপোর্ট সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য জারি করা হয়, যখন শিশুরা কম মেয়াদের পাসপোর্ট পেতে পারে, সাধারণত পাঁচ বছর। একটি 10-বছরের ই-পাসপোর্ট পেতে, এখানে মূল পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয়তা রয়েছে

 ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

10 বছরের ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে, এই সাধারণ পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন৷ পদ্ধতি এবং প্রয়োজনীয়তাগুলি আপনার দেশের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আপনার অবস্থানের জন্য নির্দিষ্ট বিবরণ যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ:
 
1. যোগ্যতা পরীক্ষা করুন
10 বছরের পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার জন্য আপনি বয়সের প্রয়োজনীয়তা (সাধারণত 18 বছর বা তার বেশি) পূরণ করেছেন তা নিশ্চিত করুন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, পাসপোর্টের বৈধতার সময়কাল সাধারণত পাঁচ বছর।
2. প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করুন
আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলি প্রস্তুত করতে হবে:
 
পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম: বেশিরভাগ দেশ আপনাকে তাদের পাসপোর্ট পরিষেবার ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে ফর্ম ডাউনলোড বা পূরণ করার অনুমতি দেয়।
নাগরিকত্বের প্রমাণ: এটি আপনার জন্ম শংসাপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র বা পূর্ববর্তী পাসপোর্ট হতে পারে।
পরিচয়ের প্রমাণ: সরকার-প্রদত্ত ফটো আইডি যেমন একটি জাতীয় পরিচয়পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স।
বসবাসের প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল, লিজ চুক্তি, বা আপনার আবাসিক ঠিকানা নিশ্চিত করে এমন অন্যান্য অফিসিয়াল নথি।
পাসপোর্ট ফটো: কিছু দেশে পাসপোর্ট ফটোগুলির জন্য কঠোর নির্দেশিকা রয়েছে (যেমন, আকার, পটভূমি, অভিব্যক্তি)। ফটো নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা পূরণ নিশ্চিত করুন.
পুরাতন পাসপোর্ট (যদি প্রযোজ্য হয়): আপনি যদি আপনার পাসপোর্ট নবায়ন করছেন, তাহলে আপনার পুরানো পাসপোর্ট আনুন।
3. বায়োমেট্রিক ডেটা জমা
যেহেতু আপনি একটি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন, তাই আপনাকে আঙ্গুলের ছাপ, একটি ডিজিটাল ছবি এবং সম্ভবত একটি আইরিস স্ক্যান সহ বায়োমেট্রিক ডেটা জমা দিতে হবে৷ এগুলো পাসপোর্ট অফিস বা অন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে সংগ্রহ করা হয়।

 

 4. আবেদন ফি প্রদান করুন

আবেদনের ফি দেশ অনুসারে পরিবর্তিত হয়, তবে একজন প্রাপ্তবয়স্ক 10 বছরের পাসপোর্টের জন্য, এটি প্রায় $100 থেকে $200 বা তার বেশি হতে পারে। কিছু দেশ অতিরিক্ত ফি দিয়ে দ্রুত পরিষেবা প্রদান করে।
যেমন:
 
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, একটি 10-বছরের পাসপোর্টের দাম প্রায় $165 (2023 অনুযায়ী)।
ইউকে-তে, ডাক অ্যাপ্লিকেশনের জন্য খরচ প্রায় £82.50 (অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনের জন্য) বা তার বেশি।
5. আপনার আবেদন জমা দিন
অনলাইন জমা: অনেক দেশে, আপনি অনলাইনে আপনার আবেদন সম্পূর্ণ করতে পারেন, নথি আপলোড করতে পারেন এবং বায়োমেট্রিক ডেটা জমা দেওয়ার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারেন।
ব্যক্তিগতভাবে জমা: প্রয়োজনে, পাসপোর্ট অফিস, দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ব্যক্তিগতভাবে আবেদন এবং নথি জমা দিন।
6. প্রক্রিয়াকরণের সময়
প্রক্রিয়াকরণের সময় দেশ অনুসারে পরিবর্তিত হয়। চাহিদা এবং প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির (মান বা ত্বরান্বিত) উপর নির্ভর করে এটি 2 সপ্তাহ থেকে 12 সপ্তাহ পর্যন্ত যেকোনও সময় নিতে পারে।
7. আপনার পাসপোর্ট গ্রহণ করুন
একবার আবেদনটি অনুমোদিত এবং প্রক্রিয়া হয়ে গেলে, আপনি হয় ডাকযোগে পাসপোর্ট পাবেন অথবা ইস্যুকারী অফিসে তা নিতে বলা হবে।
অতিরিক্ত বিবেচনা:
পুনর্নবীকরণ: আপনি যদি একটি পাসপোর্ট নবায়ন করছেন, তাহলে আপনার বর্তমান পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে (অন্তত 6 মাস আগে) ভালভাবে আবেদন করতে ভুলবেন না।
দ্রুত পরিষেবা: কিছু দেশ জরুরী ভ্রমণের প্রয়োজনের জন্য এক্সপ্রেস বা প্রিমিয়াম পরিষেবাগুলি অফার করে, যা উচ্চ ফি কিন্তু দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের সময় নিয়ে আসে।
আপনার অবস্থানের জন্য নির্দিষ্ট সর্বাধিক আপ-টু-ডেট তথ্যের জন্য আপনার দেশের সরকারী পাসপোর্ট পরিষেবার ওয়েবসাইট পরিদর্শন করতে ভুলবেন না।

 বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৪?

2024 সালে বাংলাদেশে পাসপোর্ট পেতে, এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন। প্রক্রিয়াটির মধ্যে রয়েছে একটি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) বা নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা, যা বায়োমেট্রিক তথ্য সম্বলিত একটি মাইক্রোচিপ দিয়ে সজ্জিত।
 
বাংলাদেশে পাসপোর্ট পাওয়ার ধাপ (2024):
1. পাসপোর্টের ধরন বেছে নিন
ই-পাসপোর্ট: ই-পাসপোর্ট এখন বাংলাদেশে একটি স্ট্যান্ডার্ড, এমআরপি প্রতিস্থাপন করে। এতে বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন আঙ্গুলের ছাপ, একটি ডিজিটাল ফটো এবং সম্ভবত একটি আইরিস স্ক্যান। 10 বছরের পাসপোর্ট প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপলব্ধ।
এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট): এগুলি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হচ্ছে, তবে পুরানো এমআরপি এখনও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধ হতে পারে।
আপনি যদি একটি নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন বা নবায়ন করছেন, তাহলে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
 
2. প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করুন
আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলি প্রস্তুত করতে হবে:
 
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম শংসাপত্র (একটি 17-সংখ্যার নম্বর সহ)।
পুরানো পাসপোর্ট (যদি নবায়ন করা হয় বা ক্ষতির কারণে একটি নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়)।
আবেদনপত্র: এটি অনলাইনে পূরণ করা যেতে পারে বা পাসপোর্ট অফিস থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে। অনলাইনে পূরণ হলে আপনাকে এটি প্রিন্ট করতে হবে।
বসবাসের প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল, লিজ চুক্তি বা অন্যান্য নথি যা আপনার ঠিকানা নিশ্চিত করে।
পাসপোর্ট-আকারের ছবি: যদিও বায়োমেট্রিক উদ্দেশ্যে সাধারণত পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা হয়, তবুও প্রাথমিক জমা দেওয়ার জন্য আপনার কয়েকটি ফটোর প্রয়োজন হতে পারে (অফিসে এই প্রয়োজনীয়তা যাচাই করুন)।
3. অনলাইন আবেদন সম্পূর্ণ করুন
ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট (ডিজিআইপি) ওয়েবসাইটে যান: ই-পাসপোর্ট পোর্টাল।
একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে এবং আপনার বিবরণ পূরণ করে নিবন্ধন করুন।
ফর্মটি পূরণ করার পরে, পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং পেমেন্ট স্লিপটি প্রিন্ট আউট করুন।

 

4. পাসপোর্ট ফি প্রদান করুন
আপনি একটি ব্যাঙ্ক (যেমন সোনালী ব্যাঙ্ক, অগ্রণী ব্যাঙ্ক, বা অন্যান্য তালিকাভুক্ত ব্যাঙ্ক) বা অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট ফি প্রদান করতে পারেন।
10 বছরের ই-পাসপোর্টের জন্য ফি (2024 অনুযায়ী):
সাধারণ পরিষেবা (21-30 দিনের মধ্যে ডেলিভারি): 5,750 টাকা (48-পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য)।
এক্সপ্রেস পরিষেবা (7-10 দিনের মধ্যে ডেলিভারি): 9,200 টাকা।
জরুরী পরিষেবা (2-3 দিনের মধ্যে ডেলিভারি): BDT 12,650।
বড় পাসপোর্টের জন্য ফি পরিবর্তিত হতে পারে (64-পৃষ্ঠা)।
5. একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করুন
অর্থপ্রদানের পরে, আপনার নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে বায়োমেট্রিক ডেটা জমা দেওয়ার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করুন (যদি বিদেশ থেকে আবেদন করেন)।
আপনি তারিখ এবং সময় সহ একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লিপ পাবেন।
6. বায়োমেট্রিক ডেটা জমা দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসে যান৷
নির্ধারিত তারিখে পাসপোর্ট অফিসে যান। নিম্নলিখিত আনুন:
মুদ্রিত আবেদনপত্র এবং অর্থপ্রদানের রসিদ।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম শংসাপত্র।
ঠিকানার প্রমাণ (যদি প্রয়োজন হয়)।
অফিসে, আপনার বায়োমেট্রিক ডেটা (আঙুলের ছাপ, ডিজিটাল ফটোগ্রাফ এবং স্বাক্ষর) সংগ্রহ করা হবে।
7. ট্র্যাক আবেদন স্থিতি
আপনি DGIP এর অ্যাপ্লিকেশন ট্র্যাকিং পোর্টালে আপনার পাসপোর্ট আবেদনের অবস্থা ট্র্যাক করতে পারেন।
অগ্রগতি পরীক্ষা করতে আপনার আবেদন নম্বর বা পাসপোর্ট রেফারেন্স নম্বর ব্যবহার করুন।
8. আপনার পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন
আপনার পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়ে গেলে, আপনাকে এসএমএস বা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হবে।
আপনার আবেদনের রসিদ এবং একটি অফিসিয়াল আইডি উপস্থাপন করে ব্যক্তিগতভাবে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন। বিকল্পভাবে, বিকল্পটি নির্বাচন করা থাকলে এটি আপনার ঠিকানায় বিতরণ করা হতে পারে।
অতিরিক্ত নোট:
অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য: 18 বছরের কম বয়সী আবেদনকারীদের জন্য পিতামাতা বা অভিভাবকের নথি এবং অনুমোদন প্রয়োজন।
প্রবাসীদের জন্য: বিদেশ থেকে আবেদন করলে, প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্দিষ্ট বিবরণের জন্য আপনার নিকটস্থ বাংলাদেশী দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করুন।
প্রক্রিয়াকরণের সময়:
সাধারণ পরিষেবা: 21-30 দিন।

 এক্সপ্রেস পরিষেবা: 7-10 দিন।

জরুরী পরিষেবা: 2-3 দিন।
বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট বিভাগের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপডেট থাকা নিশ্চিত করুন, কারণ নীতি এবং ফি পরিবর্তন হতে পারে।

 18 বছরের সীমানা পাসপোর্ট করতে কি অংশ?

18 বছর বয়সী কারো জন্য একটি **বর্ডার পাসপোর্ট** প্রসঙ্গে, এটি সাধারণত আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দাদের ইস্যু করা একটি বিশেষ ধরনের পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথিকে বোঝায়। এই নথিগুলি সহজে আন্তঃসীমান্ত চলাচলের অনুমতি দেয়, সাধারণত যারা কাজ, পরিবার বা বাণিজ্য উদ্দেশ্যে প্রায়শই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ভ্রমণ করেন তাদের জন্য। যাইহোক, এটি সব দেশে সাধারণ নয়, এবং এর প্রাপ্যতা এবং প্রয়োজনীয়তা দেশগুলির মধ্যে নির্দিষ্ট দ্বিপাক্ষিক চুক্তির উপর নির্ভর করে।
 
আপনি যদি একজন 18 বছর বয়সী ব্যক্তির জন্য একটি **স্ট্যান্ডার্ড পাসপোর্ট** উল্লেখ করেন, তবে এটি সাধারণত একটি 10-বছর মেয়াদী পাসপোর্ট (অনেক দেশে) আন্তর্জাতিক ভ্রমণের অনুমতি দেয় এবং নিম্নলিখিত উপাদানগুলি অন্তর্ভুক্ত করে:
 
 1. **বায়োমেট্রিক তথ্য**:
   - **ফটোগ্রাফ**: পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন একটি ডিজিটাল ছবি তোলা হয়।
   - **আঙুলের ছাপ**: ই-পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়।
   - **স্বাক্ষর**: আবেদনকারীর স্বাক্ষর ডিজিটালভাবে রেকর্ড করা হয়।
 
 2. **ব্যক্তিগত তথ্য**:
   পাসপোর্টে ধারক সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
   - সম্পূর্ণ **নাম**।
   - **জন্ম তারিখ**।
   - **জাতীয়তা**।
   - **পাসপোর্ট নম্বর**।
   - **জন্মস্থান**।
   - **ইস্যু তারিখ** এবং **মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ**।
 
 3. **ভ্রমণ তথ্য**:
   - **ভিসা পৃষ্ঠা**: পাসপোর্টে ফাঁকা পৃষ্ঠা রয়েছে যেখানে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ দ্বারা ভিসা এবং প্রবেশ/প্রস্থান স্ট্যাম্প যোগ করা হয়।
   - **পাসপোর্ট নম্বর**: সনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে প্রতিটি পাসপোর্টে একটি অনন্য নম্বর বরাদ্দ করা হয়।

 

ডেলিভারি স্লিপ দিয়ে ই পাসপোর্ট চেক

ডেলিভারি স্লিপ দিয়ে ই পাসপোর্ট চেক


আপনি যদি আপনার ডেলিভারি স্লিপের সাথে আপনার ই-পাসপোর্ট আবেদনের স্থিতি পরীক্ষা করতে চান তবে আপনাকে সাধারণত অফিসিয়াল পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইট বা আপনার দেশের পাসপোর্ট পরিচালনাকারী নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে হবে।


 ই পাসপোর্ট ডেলিভারি স্টেটাস চেক?

আপনার ই-পাসপোর্টের ডেলিভারি স্ট্যাটাস চেক করতে, এই সাধারণ পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:
 
1. **অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন**: আপনার দেশের পাসপোর্ট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে যান।
 
2. **ট্র্যাকিং বিভাগ খুঁজুন**: "পাসপোর্ট স্ট্যাটাস পরীক্ষা করুন" বা "পাসপোর্ট ডেলিভারি ট্র্যাক করুন" লেবেলযুক্ত একটি বিভাগ খুঁজুন।
 
3. **প্রয়োজনীয় তথ্য লিখুন**: আপনাকে আপনার আবেদন নম্বর, জন্ম তারিখ বা অন্যান্য সনাক্তকারী তথ্যের মতো বিশদ বিবরণ ইনপুট করতে হতে পারে।
 
4. **ট্র্যাকিং তথ্য ব্যবহার করুন**: আপনি যদি একটি ট্র্যাকিং নম্বর পেয়ে থাকেন (প্রায়শই একটি ডেলিভারি স্লিপ দেওয়া হয়), তাহলে আপনার পাসপোর্ট কোথায় আছে তা দেখতে আপনি কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়েবসাইটেও সেটি লিখতে পারেন।
 
5. **সহায়তার সাথে যোগাযোগ করুন**: আপনি যদি সমস্যার সম্মুখীন হন, সহায়তার জন্য পাসপোর্ট অফিসের গ্রাহক সহায়তার সাথে যোগাযোগ করুন।
 
যদি আপনি আমাকে বলেন আপনি কোন দেশে আছেন, আমি আপনাকে আরও নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিতে সক্ষম হতে পারি!

 

ডেলিভারি স্লিপ দিয়ে ই পাসপোর্ট চেক

ই পাসপোর্ট কিভাবে চেক করে অনলাইনে?

অনলাইনে আপনার ই-পাসপোর্টের স্থিতি পরীক্ষা করতে, এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:
 
1. **অফিসিয়াল পাসপোর্ট অথরিটির ওয়েবসাইটে যান**: আপনার দেশের পাসপোর্ট ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে যান।
 
2. **স্ট্যাটাস চেক বিভাগটি সনাক্ত করুন**: "পাসপোর্ট স্থিতি পরীক্ষা করুন," "আবেদন ট্র্যাক করুন" বা অনুরূপ কিছু বলে একটি লিঙ্ক সন্ধান করুন।
 
3. **প্রয়োজনীয় তথ্য লিখুন**: আপনাকে সাধারণত আপনার আবেদন নম্বর, জন্ম তারিখ এবং সম্ভবত অন্যান্য ব্যক্তিগত বিবরণ লিখতে হবে।
 
4. **তথ্য জমা দিন**: প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি পূরণ করার পরে, আপনার পাসপোর্টের অবস্থা দেখতে ফর্মটি জমা দিন।
 
5. **স্থিতি পর্যালোচনা করুন**: আপনার ই-পাসপোর্ট বিতরণের জন্য প্রস্তুত কিনা সহ সিস্টেমটি আপনার আবেদনের স্থিতি প্রদর্শন করবে।
 
যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে আপনার নির্দিষ্ট দেশের জন্য এই তথ্যটি কোথায় পাবেন, তাহলে আপনি কোন দেশে আছেন তা আমাকে জানান এবং আমি আরও বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রদান করতে পারি!

 

বাংলাদেশে অনলাইনে ই পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক?

বাংলাদেশে অনলাইনে আপনার ই-পাসপোর্ট আবেদনের স্থিতি পরীক্ষা করতে, এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:
 
1. **অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন**: বাংলাদেশ পাসপোর্ট সেবা ওয়েবসাইটে যান: [passport.gov.bd](http://www.passport.gov.bd)।
 
2. **অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাসে নেভিগেট করুন**: "ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশান স্ট্যাটাস" বা "ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করুন" বলে বিকল্পটি দেখুন।
 
3. **প্রয়োজনীয় তথ্য লিখুন**: আপনাকে আপনার আবেদন নম্বর এবং সম্ভবত অন্যান্য ব্যক্তিগত বিবরণ যেমন আপনার জন্ম তারিখ ইনপুট করতে হবে।
 
4. **আপনার বিবরণ জমা দিন**: আপনার স্থিতি পরীক্ষা করতে বোতামে ক্লিক করুন।
 
5. **স্থিতি পর্যালোচনা করুন**: সিস্টেমটি আপনার ই-পাসপোর্ট আবেদনের বর্তমান অবস্থা প্রদর্শন করবে।
 
আপনার যদি কোন সমস্যা হয় বা আরও সহায়তার প্রয়োজন হয়, আপনি ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত গ্রাহক পরিষেবা বিকল্পগুলির মাধ্যমে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

ই পাসপোর্ট ডেলিভারি টাইম কখন?

একটি ই-পাসপোর্টের জন্য ডেলিভারির সময় দেশ এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। অনেক দেশে, ই-পাসপোর্টের জন্য প্রমিত প্রক্রিয়াকরণের সময় নিয়মিত অ্যাপ্লিকেশনের জন্য **7 থেকে 15 কার্যদিবস** হতে পারে। যাইহোক, পিক ট্র্যাভেল সিজনে বা অতিরিক্ত ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজন হলে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

 
কিছু দেশ ত্বরান্বিত পরিষেবাগুলি অফার করে যা অপেক্ষার সময়কে মাত্র কয়েক দিনে কমিয়ে দিতে পারে, যদিও এটি প্রায়শই অতিরিক্ত ফি দিয়ে আসে। সবচেয়ে সঠিক তথ্যের জন্য, আপনার দেশের পাসপোর্ট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট চেক করা বা সরাসরি তাদের সাথে যোগাযোগ করা ভাল।
 
ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি সময় জন্য আপনার মনে একটি নির্দিষ্ট দেশ আছে?

 

ই পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে কিনা কিভাবে দেখব?

আপনার ই-পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে বা ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত কিনা তা পরীক্ষা করতে, আপনি যে দেশে আবেদন করেছেন তার উপর নির্ভর করে এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:
 
**অনলাইন ট্র্যাকিং** 
অনেক দেশ একটি **অনলাইন পাসপোর্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম** প্রদান করে। আপনি সরকারী সরকারী ওয়েবসাইট (যেমন, পাসপোর্ট অফিস বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) পরিদর্শন করতে পারেন এবং আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রদত্ত আপনার আবেদন নম্বর বা ট্র্যাকিং কোড লিখতে পারেন।
 
- কিছু দেশের জন্য উদাহরণ:
  - **USA**: আপনি আপনার পাসপোর্ট আবেদনের স্থিতি অনলাইনে ট্র্যাক করতে পারেন [ইউ.এস. স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইট](https://travel.state.gov)।
  - **ইউকে**: [HM পাসপোর্ট অফিস](https://www.gov.uk/track-passport-application) এর মাধ্যমে ট্র্যাক করুন।
  - **ভারত**: [পাসপোর্ট সেবা ওয়েবসাইট](https://www.passportindia.gov.in/) এর মাধ্যমে চেক করুন।
 
**এসএমএস/ইমেল বিজ্ঞপ্তি** 
কিছু দেশে, আবেদনকারীরা প্রক্রিয়ার মূল পর্যায়ে **এসএমএস বা ইমেল বিজ্ঞপ্তি** পেতে পারে, যেমন যখন পাসপোর্ট পর্যালোচনা করা হয় বা যখন এটি পাঠানো হয়।
 
**পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ** 
এছাড়াও আপনি তাদের হেল্পলাইন, গ্রাহক পরিষেবার মাধ্যমে **পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি** যোগাযোগ করতে পারেন, অথবা আপনার আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে ব্যক্তিগতভাবে তাদের অফিসে যেতে পারেন।
 
**পাসপোর্ট এজেন্সির সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট** 
আপনি যদি এটি অনলাইনে ট্র্যাক করতে অক্ষম হন, কিছু দেশ আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে আপনার আবেদনের অগ্রগতি পরীক্ষা করার জন্য **পাসপোর্ট এজেন্সি**-এ একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করার অনুমতি দেয়।
 

আপনি একটি নির্দিষ্ট দেশের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী চান?

ডেলিভারি স্লিপ নাম্বার কি?

একটি ই-পাসপোর্টের জন্য **ডেলিভারি স্লিপ নম্বর** সাধারণত একটি অনন্য রেফারেন্স বা ট্র্যাকিং নম্বর বোঝায় যা পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য পাঠানোর পরে আবেদনকারীকে প্রদান করা হয়। এটি আবেদনকারীর নির্ধারিত ঠিকানায় চালানের সময় পাসপোর্ট ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়। এই নম্বরটি প্রায়শই পাসপোর্টের ডেলিভারি পরিচালনাকারী কুরিয়ার পরিষেবা দ্বারা প্রদত্ত বিতরণ রসিদ বা বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া যায়।
 
কীভাবে ডেলিভারি স্লিপ নম্বর সনাক্ত করবেন:
1. **কুরিয়ার পরিষেবা বিজ্ঞপ্তি**: পাসপোর্ট পাঠানোর পরে, আপনি এসএমএস, ইমেল বা কুরিয়ার পরিষেবা (যেমন, DHL, FedEx, জাতীয় ডাক পরিষেবা) থেকে একটি বাস্তব রসিদ এর মাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি পেতে পারেন। এই বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণত একটি **ডেলিভারি স্লিপ নম্বর** বা ট্র্যাকিং নম্বর অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  
2. **অনলাইন পাসপোর্ট ট্র্যাকিং**: কিছু দেশ তাদের পাসপোর্ট ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে ডেলিভারি স্লিপ নম্বর প্রদান করে। পাসপোর্টটি প্রেরিত হিসাবে চিহ্নিত করার পরে, ট্র্যাকিং সিস্টেম কুরিয়ার পরিষেবা এবং ডেলিভারি স্লিপ নম্বর প্রদর্শন করতে পারে।
 
3. **ভৌত রসিদ**: আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে কোনো অফিসে আপনার পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন এবং ডেলিভারির জন্য বেছে নেন, তাহলে অফিস আপনাকে একটি ফিজিক্যাল **ডেলিভারি স্লিপ** দিতে পারে যেটি আপনি আপনার প্যাকেজ ট্র্যাক করতে ব্যবহার করতে পারেন।
 
ডেলিভারি স্লিপ নম্বর দিয়ে কী করবেন:
- আপনি আপনার পাসপোর্টের ডেলিভারির **স্ট্যাটাস ** ট্র্যাক করতে, প্রত্যাশিত ডেলিভারি তারিখ দেখতে বা ডেলিভারি প্রক্রিয়ার কোনো সমস্যা চিহ্নিত করতে কুরিয়ার ওয়েবসাইট বা অ্যাপে ডেলিভারি স্লিপ নম্বর ব্যবহার করতে পারেন।
 
আপনার যদি ডেলিভারি স্লিপ নম্বর বা ট্র্যাকিং বিশদ খুঁজে পেতে সহায়তার প্রয়োজন হয়, আপনি পাসপোর্ট অফিস বা ডেলিভারির জন্য দায়ী কুরিয়ার পরিষেবার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ ই পাসপোর্ট স্টেটাস চেক?

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট আবেদনের স্থিতি পরীক্ষা করতে, আপনি এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:
 
১. **বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট পোর্টালে যান**
   বাংলাদেশ সরকার ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস ট্র্যাকিংয়ের জন্য একটি অফিসিয়াল অনলাইন পোর্টাল প্রদান করে। আপনি এখানে এই পোর্টাল অ্যাক্সেস করতে পারেন:
   - [বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং](https://www.epassport.gov.bd/)
 
2. **অনলাইন সিস্টেমে লগ ইন করুন**
   একবার ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে:
   - মেনু থেকে **"অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস"** বিকল্পটি নির্বাচন করুন।
   - প্রয়োজনীয় বিবরণ লিখুন, যেমন আপনার **অ্যাপ্লিকেশন আইডি**, **এনরোলমেন্ট আইডি**, বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য।
   - আপনি বট নন তা যাচাই করতে **ক্যাপচা** (নিরাপত্তা কোড) লিখুন।
 
৩. **এসএমএসের মাধ্যমে চেক করুন (ঐচ্ছিক)**
   যদি অনলাইন ট্র্যাকিং বিকল্পটি উপলব্ধ না হয় বা আপনি একটি বিকল্প চান, আপনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন যে তারা কোনও SMS-ভিত্তিক স্ট্যাটাস চেক পরিষেবা অফার করে কিনা।
 
৪. **মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে যান**
   আপনি আপনার ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানতে মালয়েশিয়ার **বাংলাদেশ হাই কমিশন**-এ যেতে বা যোগাযোগ করতে পারেন। নীচে তাদের যোগাযোগের বিশদ রয়েছে:
  
   - **অবস্থান**: বাংলাদেশের হাই কমিশন, 225 জালান আমপাং, 50450 কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া।
   - **ফোন**: +৬০ ৩-৪২৫২ ৩৭৮৫
   - **ইমেল**: mission.kualalumpur@mofa.gov.bd
   - **ওয়েবসাইট**: [মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশন](http://bdhckl.org/)
 
৫. **পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন**
   ট্র্যাকিং সিস্টেমে কোনো সমস্যা থাকলে আপনি সরাসরি বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট অফিসে কল করতে পারেন আপনার অবস্থা সম্পর্কে জানতে। পাসপোর্ট অফিস আপনার আবেদনের বিবরণের ভিত্তিতে আপনাকে গাইড করতে পারে।
 
এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে, আপনি মালয়েশিয়া থেকে আপনার ই-পাসপোর্টের অবস্থা ট্র্যাক করতে সক্ষম হবেন৷

 



ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

 

ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

দেখে মনে হচ্ছে আপনি বাংলাদেশের জন্য ই-পাসপোর্ট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন। ই-পাসপোর্ট হল একটি নিরাপদ ভ্রমণ নথি যা পরিচয় যাচাই বাড়ানোর জন্য বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করে। আপনার যদি নির্দিষ্ট তথ্যের প্রয়োজন হয়, যেমন কীভাবে আবেদন করতে হয়, প্রয়োজনীয় নথি, বা এর বৈশিষ্ট্যগুলি, দয়া করে আমাকে জানান!

ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

পিতা ও মাতার জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) -এর কপি ও অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে
 ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version)
১৮-২০ বছর হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version). 
 ২০ বছরের উর্ধ্বে হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক 

  • বাংলাদেশী জন্মসনদের ফটোকপি।

  • (জন্মস্থানের জায়গায় শিশু যে দেশে জন্ম হয়েছে সেই দেশ বা স্থানের নাম অবশ্যই উল্লেখ্য থাকতে হবে।)

  • অনলাইন ইপাসপোর্ট আবেদন ফরম। (www.epassport.gov.bd) |

  • স্প্যানিশ জন্মসনদের ফটোকপি।

  • শিশুর বাবা মায়ের পাসপোর্টের ফটোকপি।

  • শিশুর A4 সাইজের সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙিন ছবি।

  •  ই-পাসপোর্ট ফি ১০০ (একশত) ইউরো ব্যাংক কার্ড অথবা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে।

  •    (ES61 2100 9432 8222 0015 4034, La Caixa Bank) 


ই পাসপোর্ট ফি 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে একটি ই-পাসপোর্টের জন্য ফি প্রকার (স্বাভাবিক বা জরুরি) এবং মেয়াদকালের (5 বা 10 বছর) উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণত, ফি নিম্নরূপ:
- **সাধারণ ই-পাসপোর্ট**: 5 বছরের জন্য আনুমানিক 3,000 টাকা এবং 10 বছরের জন্য 6,000 টাকা৷
- **জরুরি ই-পাসপোর্ট**: বেশি ফি, ৫ বছরের জন্য প্রায় ৫,০০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য ১০,০০০ টাকা।
এই ফিগুলি পরিবর্তন হতে পারে, তাই বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চেক করা বা সবচেয়ে বর্তমান হারের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করা ভাল।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ 


প্রবাসী বাংলাদেশী যাঁদের এমআরপি রয়েছে তাঁরা ই-পাসপোট আবেদনের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছেঃ-


১। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করার ক্ষেত্রে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগকৃত আউটসোর্সিং কোম্পানি Expat Services (Kuala Lumpur) Sdn. Bhd. (ESKL) এর নির্ধারিত স্থান হতে পূরণ করতে হবে। [আউট সোর্সিং ঠিকানা Expat Services (Kuala Lumpur) Sdn Bhd, Southgate Commercial Centre, Level 2, Block E, No 2, Jalan Dua Off Jalan Chan Sow Lin-55200, Wilayah Persekutuan, Kuala Lumpur]

২। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।


৩। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।


৪। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) / জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC)-এর অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।


৫। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী যার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নাই, তার পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। পিতা ও মাতার জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) -এর কপি ও অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।


৬। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) নিম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে-

(ক) ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version).

(খ) ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version).

(গ) ২০ বছরের উর্ধ্বে হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক । তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) গ্রহণযোগ্য হবে। এক্ষেত্রে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও অনলাইন ভেরিফাই কপি দাখিল করতে হবে।


৭। ফরমে তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়।


৮। দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সাথে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে।


৯। ১৮ বছরের নিম্নের এবং ৬৫ বছরের ‍উর্ধ্বে সকল আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ০৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার।


১০। প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে।


১১। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি (NOC)/ প্রত্যয়নপত্র/ অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (PRL Order)/ পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ Website এ আপলোড থাকতে হবে।

 

১২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ম্যারিজ সার্টিফিকেট/ডিভোর্স সার্টিফিকেট (ইংলিশ ভার্সন) আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস হতে সত্যায়িত হতে হবে।


১৩। স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে নিজ এলাকার কমিশনার/চেয়ারম্যান-এর প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিজ এলাকার কমিশনার/চেয়ারম্যান-এর প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।


১৪। কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং (Consular and Welfare Wing) অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।


১৫। বৈদেশিক মিশন হতে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।


১৬। আবেদনের সময় মূল জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (NID), অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ (GO)/অনাপত্তি (NOC) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।


১৭। বৈদেশিক মিশনে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট ও ভিসা প্রদর্শন করতে হবে।


১৮। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট করতে হবে এবং আবেদনের সাথে তার কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।


১৯। ০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩ আর (4R Size) সাইজের (ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড) ছবি দাখিল করতে হবে।


২০। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় পুলিশ রিপোর্ট করতে হবে। পুনরায় পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি এবং পুলিশ রিপোর্ট কপিসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে ।



পাসপোর্টে তথ্য সংশোধন আবেদনের ক্ষেত্রেঃ


  • আবেদনকারীর নিজের আইডি ও আইডি কার্ডের ভেরিফাইড কপি (নিজের নাম, বয়স, মা ও বাবার নামের সংশোধেনের ক্ষেত্রে)
  • আবেদনকারীর মায়ের আইডি ও আইডি কার্ডের ভেরিফাইড কপি (মায়ের নামের সংশোধেনের ক্ষেত্রে)
  • আবেদনকারীর বাবার আইডি ও আইডি কার্ডের ভেরিফাইড কপি (বাবার নামের সংশোধেনের ক্ষেত্রে)
  • স্বামী/স্ত্রী-এর আইডি কার্ড ও আইডি কার্ডের ভেরিফাই কপি (স্বামী/স্ত্রী-এর নাম সংযোজন/সংশোধন এর ক্ষেত্রে)।
  • ইংলিশ ম্যারিজ সার্টিফিকেট/ডিভোর্স সার্টিফিকেট আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর হাইকমিশনের সত্যায়িত কপি (স্বামী/স্ত্রী-এর নাম সংযোজন/সংশোধন/বাতিলের ক্ষেত্রে)।
  • স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন/সংশোধনের ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে মেয়র/কাউন্সেলর/চেয়ারম্যান কর্তৃক সদ্য প্রদানকৃত নাগরিক সনদ দাখিল করতে হবে।
  • স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন/সংশোধনের ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে পুলিশ প্রতিবেদন সাপেক্ষে পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।
  • এভিডেভিড/হলফনামা ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প।
  • পাসপোর্ট কপি।
  • ভিসা কপি।
  • অঙ্গীকারনামা


 

abdullahtourism Template by Ipietoon Cute Blog Design